টিকে থাকার লড়াইয়ে শিক্ষা : শ্রমজীবী শিশুদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ


শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার| অন্যদিকে রাষ্ট্রের অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি শিক্ষা| বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশেও শিক্ষা নিয়ে এখনো বহু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান| বিশেষ করে সমাজের অবহেলিত ও শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের জন্য| শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী— যাদের মধ্যে দিনমজুর, রিক্সা-ভ্যান চালক, গার্মেন্টস শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, গৃহকর্মী ও বিভিন্ন কলকারখানার শ্রমিকরা অন্তর্ভুক্ত| যাদের জীবনের প্রতিটি সূর্য সংগ্রামের সাথে অতিবাহিত হয়| জীবিকা অর্জনের প্রতিযোগিতায় তারা প্রায়ই সকলে জীবনের প্রারম্ভে শিক্ষা থেকে দূরে সরে এসেছিল| আর তাদের পরবর্তী প্রজন্ম তথা তাদের সন্তানদের একই ভাগ্যবরণ করতে হচ্ছে বা হবে|

শ্রমজীবী পরিবারের বাস্তবতা
বাংলাদেশে ধনী-দ্ররিদ্র বৈষম্য দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান| লাখ লাখ পরিবার এখনো দারিদ্ররেখার নিচে বসবাস করে| এবং তাদের অধিকাংশই শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত| শ্রমজীবী পরিবারে দিনের আয়েই দিনের খাবার জোটে| ফলে শিক্ষা তাদের কাছে বিলাসিতা মনে হতে পারে| শিশুরা অনেক সময় স্কুলে যেতে পারে না| কারণ তাদেরকে পরিবারের আয়-রোজগারে সাহায্যে করতে হয়| শহরে বস্তিবাসী শ্রমিকদের জীবনের অনিশ্চয়তা আরও কঠিন| গ্রামে কৃষি শ্রমিকদের সন্তানেরাও শিক্ষার মান ও সুবিধার অভাবে পিছিয়ে থাকে|

শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের শিক্ষার বর্তমান চিত্র

ভর্তি হার বৃদ্ধি পেলেও ঝরে পড়া এখনো বড়ো সমস্যা 
সরকারি উদ্যোগের ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তি হার বেড়েছে— এ কথা সত্য| তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার শ্রমজীবী পরিবারের জন্য বিশেষভাবে বেশি| অর্থের অভাব, বিদ্যালয় থেকে দূরত্ব, পরিবারের কাজে সহায়তা, শিশুশ্রমে সম্পৃক্ততা— এসব কারণে অনেক শিশু নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে না|

মানসম্মত শিক্ষার সংকট
শিক্ষা শুধু বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই পূর্ণ হয় না| প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা| অনেক শ্রমজীবী পরিবার এমন এলাকায় বসবাস করে যেখানে বিদ্যালয় কম বা শিক্ষকের সংখ্যা অপর্যাপ্ত| আবার অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকরা অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রী সামলাতে গিয়ে শিক্ষার মান বজায় রাখতে পারে না| এই পরিবেশে শ্রমজীবী মানুষের সন্তানরা ন্যায্য শিক্ষাসেবা পায় না|

অতিরিক্ত খরচের বোঝা
বই-খাতা, পোশাক, পরিবহন, টিফিন, প্রাইভেট টিউশন— এসব খরচ একটি শ্রমজীবী পরিবারের জন্য উল্লেখযোগ্য| যদিও সরকারি স্কুলে টিউশন ফ্রি, কিন্তু স্কুলে যেতে গেলে নানান আনুষঙ্গিক খরচ থাকে| যা অনেক পরিবারের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়|

শিশুশ্রমের নেতিবাচক প্রভাব
বাংলাদেশে এখনো হাজার হাজার শিশু বিভিন্ন শিল্প-কারখানায়, দোকানে, হোটেলে কাজ করে| তাদের অধিকাংশই শ্রমজীবী পরিবারের সন্তান| শিশুশ্রম শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়ার সবচেয়ে বড়ো কারণগুলোর একটি| যখন একটি পরিবার দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল থাকে, তখন শিশুর কাজ করাটাই পরিবার মনে করে বেঁচে থাকার উপায়|


শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের শিক্ষার সামাজিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা
শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের শিক্ষা অর্জনের পথে সামাজিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা একটি গুরুতর বাস্তবতা| নিম্ন আয়ের পরিবারে জন্ম নেওয়া এসব শিশুরা অনেক সময় দারিদ্র্য, অনিশ্চয়তা ও পাবিরারিক চাপের মধ্যে বেড়ে ওঠে| পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে তাদের পড়াশোনার প্রয়োজনীয় উপকরণ, কোচিং অনুকূল পরিবেশ পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে| অনেকক্ষেত্রে শিশুরা পড়ালেখার পাশাপাশি আয়মূলক কাজে যুক্ত হতে বাধ্য হয়| যা তাদের মনোযোগ ও শিক্ষার ধারাবাহিকতা নষ্ট করে|

সামাজিকভাবে তারা বৈষম্য ও অবহেলার শিকার হয়| বিদ্যালয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আর্থিক ও সামাজিক পার্থক্য তাদের হীনমন্যতা তৈরি করে| শিক্ষক ও সমাজের একাংশের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিও তাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়| এতে করে তারা নিজের সক্ষমতা সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে পড়ে এবং উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখার সাহস হারায়|

মানসিক দিক থেকে, অভাব-অনটন ও পারিবারিক দুুশ্চিন্তা শিশুদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা ও চাপ সৃষ্টি করে| বাবা-মায়ের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও ক্লান্তি অনেক সময় সন্তানদের মানসিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার সুযোগ সীমিত করে দেয়| এসব সামাজিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে রাষ্ট্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন| যাতে শ্রমজীবী মানুষের সন্তানরা সমানভাবে শিক্ষার সুযোগ ও সুস্থ মানসিক বিকাশ লাভ করতে পারে| এই পরিস্থিতিকে মোটাদাগে ৩টি পয়েন্টে ভাগ করা যায়—

নিম্ন সামাজিক মর্যাদা
অনেক শ্রমজীবী পরিবার সমাজের চোখে অবহেলিত| তাদের সন্তানরা বিদ্যালয়ে মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে| ফলে তারা বিদ্যালয়ে যেতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে|

পরিবারের শিক্ষার প্রতি সীমিত সচেতনতা
অনেক শ্রমজীবী বাবা-মা নিজেরা কখনো শিক্ষা লাভ করেননি| ফলে তারা টিকে থাকার জন্য শিক্ষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ; তা সব সময় উপলব্ধি করতে পারেন না| তারা মনে করেন, তাড়াতাড়ি কাজ শেখাই সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার উপায়|

পারিবারিক অনিরাপত্তা ও অস্থিতিশীলতা
বস্তি বা ভাসমান পরিবারে প্রায়ই ঘরবদল, আর্থিক অনিশ্চয়তা, স্বাস্থ্য সমস্যা ও অন্যান্য সামাজিক ঝুঁকি থাকে| এসব কারণে শিশুর পড়াশোনায় স্থিরতা থাকে না|


শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার ইতিবাচক দিক
শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার ইতিবাচক দিক অত্যধিক| শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের শিক্ষার সুবিধা সমাজ রাষ্ট্রের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি| এসব শিশু সাধারণত বাস্তব জীবনের সংগ্রাম ও পরিশ্রম কাছ থেকে দেখে বড়ো হয়, যা তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, সহনশীলতা ও পরিশ্রমী মনোভাব গড়ে তোলে| এই মানসিক দৃঢ়তা শিক্ষা জীবনে তাদের ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে|

শ্রমজীবী পরিবারে বাবা-মা নিজেদের সীমিত আয়ের মধ্যেও সন্তানের পড়াশোনাকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেন| তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা সন্তানদের শিক্ষা গ্রহণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তোলে| ফলে শিশুরা শিক্ষা অর্জনকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি একটি প্রধান উপায় হিসেবে দেখে এবং পড়াশোনায় আন্তরিকতা দেখায়|

এছাড়া এসব পরিবারের সন্তানরা সাধারণত বাস্ততভিত্তিক চিন্তাভাবনায় দক্ষ হয়| তারা জীবনের প্রয়োজন ও বাস্তবতা বুঝে পড়াশোনা করে| যা ভবিষ্যতে কর্মজীবনে টিকে থাকার সক্ষমতা বাড়ায়| সরকারি উপবৃত্তি, বিনামূল্যের পাঠ্যবই, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি ও বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি শ্রমজীবী পরিবারের শিশুদের শিক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে|

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সহানুভূতিশীল পরিবেশ পেলে শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানরা তাদের মেধা ও সম্ভাবনা পুরোপুরি বিকশিত করতে পারে| উপযুক্ত সহায়তা ও সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে তারা দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত হয়ে পরিবার ও সমাজের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়| তারা দক্ষ কর্মশক্তি হয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করতে পারে| অপরদিকে শিক্ষা দারিদ্র্য দূরীকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়|

শিক্ষিত মানুষ সমাজে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয় এবং অসঙ্গতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে| এতে বেড়ে ওঠে সামাজিক সমতা ও মানবিক মূল্যবোধ| একজন শিক্ষিত শ্রমজীবী পরিবারের শিশু আগামী প্রজন্মকে আরও শিক্ষিত ও উন্নত পরিবেশ দিতে পারে|


শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর ক্ষেত্রে কতিপয় চ্যালেঞ্জ
শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান| যা তাদের শিক্ষাজীবনকে অনিশ্চিত করে তোলে| প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আর্থিক অস্বচ্ছলতা| সীমিত আয়ের কারণে অনেক পরিবার নিয়মিত স্কুল ফি, পোশাক, বই-খাতা ও অন্যান্য শিক্ষা ব্যয় বহন করতে পারে না| ফলে শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার চাপ সৃষ্টি হয়| যা বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও পড়ালেখার মান ব্যাহত করে|

আরেকটি বড়ো সমস্যা হলো অভিভাবকদের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা| দিনভর শ্রমের পর অনেক অভিভাবকের পক্ষে সন্তানের পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়া বা মানসিক সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয় না| এতে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে| পাশাপাশি অনেক শ্রমিক পরিবার কাজের প্রয়োজনে ঘনঘন বাসস্থান পরিবর্তন করে| যার ফলে শিশুদের বিদ্যালয় পরিবর্তন করতে হয় বা মাঝপথে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়|

সামাজিক সচেতনার অভাবও একটি চ্যালেঞ্জ| কিছু পরিবারে শিক্ষার দীর্ঘমেয়াদি গুরুত্ব পুরোপুরি অনুধাবন করা হয় না| এছাড়া বিদ্যালয়ের দূরত্ব, যাতায়াত ব্যয় ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগও অভিভাবকদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে| এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারি সহায়তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা এবং সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে শ্রমিক পরিবারের সন্তানরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে এবং শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে পারে|


শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের শিক্ষা সুরক্ষা ও তাদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় কতিপয় সমাধান ও সুপারিশ

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সমাজকে কঠোর যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে| বিশেষ করে শ্রমিক পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতে হবে; যেন তারা শিশুকে কাজে পাঠাতে বাধ্য না হয়|

শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে| বিশেষ করে ফ্রি ইউনিফর্ম, খাবার, পরিবহন সুবিধা প্রদান করতে হবে| যেন শিশুরা বিদ্যালয়ে যেতে উৎসাহ পায়|

বিদ্যালয়কে শিশু-বান্ধব হিসাবে গড়ে তুলতে হবে| শিক্ষা শুধু বইপড়া নয়; খেলা, শিল্পকলা, আনন্দঘন পরিবেশ— এসব যোগ করলে বিদ্যালয়ের প্রতি শিশুদের আগ্রহ বাড়বে|
শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের জন্য নমনীয় সময়ের স্কুল, যেমন রাতে বা বিকালে ক্লাস— এগুলো বাড়ানো জরুরি|

প্রযুক্তিগত সহায়তা বৃদ্ধি করতে হবে| যেমন ডিজিটাল ডিভাইস ও ইন্টারনেট সাশ্রয়ীমূল্যে প্রদান করলে শ্রমজীবী পরিবারের শিশুরাও ডিজিটাল শিক্ষায় অংশ নিতে পারবে|

সর্বোপরি সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই| অভিভাবকদের মধ্যে শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কমিউনিটি মিটিং, মিডিয়ার সচেতনতা ও সামাজিক প্রচারণা চালাতে হবে|

শিক্ষকদের নিজেদের মান উন্নয়ন প্রচণ্ডভাবে দরকার| উন্নত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে| বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের মনস্তত্ত্ব বোঝা শিক্ষকদের জন্য অতীব জরুরি|

 

বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের শিক্ষা দেশের ভবিষ্যতের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত| দারিদ্র্য, অসমতা, শিশুশ্রম, অবকাঠামোগত সংকট— এসব সমস্যা সত্ত্বেও এই শিশুদের মধ্যে রয়েছে অসীম সম্ভাবনা| রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার ও বিভিন্ন সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের শিক্ষাকে নিশ্চিত করতে হলে আমাদের আরও সক্রিয় ও মানবিক পদক্ষেপ নিতে হবে| কারণ শিক্ষা শুধু ব্যক্তির নয়, জাতির উন্নতির মূল চাবিকাঠি| শ্রমজীবী মানুনের সন্তানরা যদি ন্যায্য শিক্ষার অধিকার পায়| তাহলে তা শুধু তাদের ব্যক্তিগত ভাগ্যই বদলাবে না; বরং বাংলাদেশকে একটি সাম্যের, মানবিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করবে|

লেখক: কলামিস্ট 

সর্বশেষ